তুলসী পাতার উপকারিতা সম্পর্কে জানুন

আসসালামু আলাইকুম, সুপ্রিয় পাঠক তুলসী পাতার উপকারিতা সম্পর্কে জানুন ও তুলসী গাছের বিবরণ সম্পর্কে জানতে আপনি আমাদের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
তুলসী পাতার উপকারিতা সম্পর্কে জানুন
আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা আপনাকে তুলসী পাতার উপকারিতা ও তুলসী গাছের বিবরণ সম্পর্কে সমস্ত তথ্য জানানোর চেষ্টা করেছি। তুলসী সম্পর্কে সকল বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য আপনি আমাদের আর্টিকেলটি পড়ুন।

ভূমিকা

সুপ্রিয় পাঠক বর্তমান সময়ে যেকোনো সমস্যার সমাধানে আপনি তুলসীর ব্যবহার করতে পারেন। তার ধারাবাহিকতায় আজকে আর্টিকেলে আমরা আপনাকে জানানোর চেষ্টা করেছি তুলসী গাছ কোথায় পাওয়া যায়, তুলসির ব্যবহার কিভাবে করতে হয়, তুলসীর উপকারিতা কি কি ও কোন কোন সমস্যায় আপনি তুলসীর ব্যবহার করতে পারেন।

পাশাপাশি তুলসী কিভাবে ব্যবহার করতে হবে বা তুলসী ব্যবহার করনের সতর্কতা ও তুলসীর সমস্ত গুনাগুন।

তুলসী (ইংরেজিঃ Holy basil)

তুলসী (বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum Sanctum) একটি ঔষধি গাছ। লামিয়াসি পরিবারের অন্তর্গত একটি সুগন্ধ যুক্ত উদ্ভিদ হল তুলসী। যা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে একটি পবিত্র উদ্ভিদ হিসেবে সমাদৃত। তার পাশাপাশি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ তুলসীকে অনেক ভক্তি শ্রদ্ধা করে থাকে।

তুলসী গাছের বিবরণ

একটি ঘন শাখা প্রশাখা বিশিষ্ট গাছ হল তুলসী। সাধারণত ২/৩ ফুট উঁচু হয় তুলসী গাছ। যার পাতা ২-৪ সেন্টিমিটার লম্বা হয়ে থাকে। প্রতিটা পাতার কিনারা খাজকাটা হয়ে থাকে। শাখা প্রশাখার অগ্রভাগ হতে ৫ থেকে ৬ টি পুষ্পদ দণ্ড বের হয় ও প্রতিটি পুষ্পদ দন্ডের চারিদিকে ছাতার মতো আকৃতির ১২ থেকে ১৫ টি স্তরে ফুল থাকে।


প্রত্যেকটি স্তরে ৫ টি করে ফুল ফোটে ছোট আকৃতির। তুলসী গাছের ফুল, ফল ও পাতার একটি ঝাঁঝালো গন্ধ আছে। পরিবেশে অক্সিজেনের পরিমাণ সরবরাহ করতে তুলসী গাছ ব্যাপক ভূমিকা পালন করে থাকে। যার জন্য অক্সিজেনের ভান্ডার বলা হয় তুলসী গাছকে।

তুলসীর প্রাপ্তিস্থান

ভারত ও বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র জায়গায় তুলসির দেখা মিলে। প্রধানত হিন্দু ধর্মে তুলসীকে দেবিরূপে পূজা করা হয়ে থাকে। বর্তমান সময়ে বাণিজ্যিকভাবে তুলসী চাষ করে আসছে ভারত। আমাদের দেশে বাণিজ্যিকভাবে চাষ না হলেও ঔষধি উদ্ভিদ হিসেবে এবং ভেষজ উদ্ভিদ হিসাবে তুলসির ব্যাপক ব্যবহার হয়ে থাকে।


সাধারণত জুলাই, আগস্ট ও নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তুলসী গাছে মঞ্জরী দেখা যায়। সমতল ভূমি থেকে শুরু করে হিমালয় সহ যেকোনো উঁচু নিচু জায়গায় তুলসী গাছ জন্মাতে পারে।

তুলসীর ব্যবহার

নানা ওষুধি কাজে ব্যবহার হয় তুলসী গাছ। সর্দি, কাশি ও ঠান্ডা জনিত নানা সমস্যায় তুলসী ব্যবহার করা হয় সেই প্রাচীন আমল থেকে। সর্দি ও ঠান্ডা জনিত যেকোনো সমস্যায় তুলসী পাতার রস তার সাথে মধু একত্রে মিস করে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায় খুব দ্রুত। বায়ুনাশক ও কৃমি হয় তুলসী গাছের রস।

তুলসী গাছের রস, পাতা ও বীজ সবকিছু ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তুলসীর বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে আয়ুর্বেদ ও ভেষজ চিকিৎসায়। বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশে তুলসীর ব্যবহার অনেক বেশি হয়।

তুলসী পাতার উপকারিতা

তুলসী পাতা উপকারী এটা আমরা কমবেশি সবাই জানি। তবে তুলসী পাতা সেবনের ফলে আপনি কোন কোন সমস্যা থেকে নিস্তার পাবেন সেটা হয়তো আমরা সকলেই জানি না। তুলসী পাতায় আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান। যা আপনার শরীরের মারাত্মক সব রোগের সাথে লড়াই করে শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।


তুলসী গাছের অনেক গুনাগুন রয়েছে বলেই এটি ঔষধি হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে প্রাচীন কাল থেকেই। আপনি কোন কোন সমস্যায় তুলসী ব্যবহার করতে পারবেন সেইসব বিষয়ে জানানো হলোঃ
  • সর্দি-কাশি দূর করতে
ঠান্ডা লাগলে তুলসী পাতা সেবন করা হয় ওষুধ হিসেবে। পাশাপাশি সর্দি সারাতে এটি খুব দ্রুত কাজ করে থাকে। যদি আপনার বুকে কখনো কফ বসে যায় তাহলে প্রতিদিন নিয়মমাফিক আপনি সকালে তুলসী পাতা, আদা ও চা পাতা একসাথে ভালোভাবে ফুটিয়ে তাতে লেবু বা মধু মিশিয়ে সেবন করতে পারেন। তাতে করে আপনার সর্দি-কাশি হতে খুব দ্রুত উপসম মিলবে।
  • গলা ব্যথা হতে নিস্তার পেতে
আপনি যদি গলা ব্যাথার সমস্যায় ভোগেন তাহলে অবশ্যই তুলসী পাতার উপর আস্থা রাখুন। কারণ গলা ব্যথা দূর করতে তুলসী পাতার কোন বিকল্প নেই। পাশাপাশি শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমাতেও তুলসী পাতা অনেক উপকারে আসে। প্রথমে তুলসী পাতা ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে আপনি যদি গাড় গার্গল করেন তাহলে খুব দ্রুত গলা ব্যথা থেকে নিস্তার পাবেন।
  • ক্যান্সার প্রতিরোধে
মানুষের মরণঘাতি অসুখের নাম হল ক্যান্সার। আর তুলসী পাতা সেই ক্যান্সারকেই দূরে রাখতে সাহায্য করে। তুলসী পাতায় রয়েছে রেডিওপ্রটেকটিভ উপাদান যা টিউমারের কোষগুলোকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। তাছাড়া তুলসী পাতায় ফাইটো কেমিক্যাল উপাদান যেমন মাইরেটিনাল, রোসমারিনিক এসিড, এপিজেনিন।


যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করতে ভূমিকা রাখে। মানুষের অগ্নাশয় যে টিউমার কোষ দেখা দেয় তা দূর করার জন্য তুলসী পাতা অনেক ভূমিকা পালন করে।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো
তুলসী পাতা সেবনের ফলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটা বাড়ে। অ্যাজমা ফুসফুসের সমস্যা মোকাবেলায় কাজ করে থাকে তুলসী পাতা। জ্বর সারাতেও তুলসী পাতা ব্যাপক ভূমিকা রাখে। তুলসী পাতা ও এলাচ পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি পান করলে খুব সহজেই বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারবেন। দেহের যে কোন ক্ষতস্থানে তুলসী পাতা বেটে লাগিয়ে দিলে সেই স্থান দ্রুত শুকিয়ে যায়।
  • দেহের ওজন কমাতে
যাদের দেহে অতিরিক্ত ওজন রয়েছে তারা ওজন কমানোর জন্য নিয়মিত তুলসীপাতা সেবন করে দেখতে পারেন। কেননা তুলসী পাতা সেবনের ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা ও কোলেস্টরল দুটোই রোধ করে। যার ফলে খুব সহজেই দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তুলসী পাতা নিয়মিত সেবনের ফলে শরীরের ওবেসিটি ও লিপিড প্রোফাইল নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।


যার ফলে আপনার দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ হয়ে থাকে। তবে যেকোনো ওষুধ সেবন করার আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেবন করার অনুরোধ রইলো।
  • ডায়াবেটিস দূর করা
তুলসী পাতা ইনসুলিন উৎপাদনের কাজ করে থাকে। নিয়মিত খাদ্য গ্রহণের আগে তুলসী পাতা খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা কমে আসে। তুলসী পাতা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের কাজ করে থাকে। তুলসী পাতাতে থাকা স্যাপোনীন, ফ্ল্যাবোনয়েড ও ত্রিতারপিনিন ডায়াবেটিস দূর করতে সাহায্য করে থাকে।
  • রক্তপাতের সমস্যা দেখা দিলে
আপনি যদি অতিরিক্ত তুলসী পাতা সেবন করে থাকেন তাহলে তার শরীরের রক্তপাতের প্রবাহ বাড়িয়ে দিতে পারে। যার ফলে শরীরে স্বাভাবিক রক্ত জমাট হওয়ার প্রবণতা নষ্ট হয়ে যায়। তার ফলে দেখা দিতে পারে অতিরিক্ত রক্তপাতের সমস্যা।


আপনি যদি কোন প্রকার সার্জারি করিয়ে থাকেন তাহলে দুই সপ্তাহ আগে থেকে তুলসী পাতা খাওয়া একদম বন্ধ করে দিন। তা না হলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণে সমস্যা গুরুতর হতে পারে।
  • নিম্ন রক্তচাপ
অতিরিক্ত পটাশিয়াম রয়েছে তুলসী পাতায়। যার ফলে রক্তচাপ কমে যেতে পারে। তাই যদি আপনার নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা থাকে তাহলে আপনার তুলসী পাতা না খাওয়াই ভালো। তাই তুলসী পাতা খাওয়ার পূর্বে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
  • ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে
নিয়মিত তুলসী পাতা খাওয়ার অভ্যাস করলে ও তুলসী পাতার তৈরি করা পেস্ট মুখে লাগালে রক্ত এত মাত্রায় পরিশুদ্ধ হয় যে আপনার স্ক্রিনে কোন প্রকারের ইনফেকশনের আশঙ্কা থাকবে না। তার পাশাপাশি ত্বকের যে কোন রোগ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা কমে যাবে।


কারণ তুলসী পাতায় উপস্থিত অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টিজ এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে। যা আপনার স্কিনকে সুন্দর দেখাতে সাহায্য করে।
  • মুখের দুর্গন্ধ রোধে
আপনি যদি প্রতিদিন সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে কয়েকটি তুলসী পাতা চিবিয়ে খান তাহলে মুখের ভিতর জন্ম নেওয়ার নানান ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে। ফলে মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হবে না। তার পাশাপাশি দাঁতকে নানা জীবাণুর হাত থেকে বাঁচাতে তুলসী পাতা অনেক ভূমিকা রাখে।
  • দৃষ্টিশক্তির উন্নতি করতে
নানা সময় মানুষের চোখে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয় যা নিরাময় করার জন্য তুলসীপাতার কোনো বিকল্প নেই। তুলসী পাতায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। যা চোখের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে থাকে।
  • ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়াতে
তুলসী পাতায় রয়েছে ক্যাম্পেইনে, ইগোয়েনাল ও সিনেওল উপাদান যা ফুসফুস সংক্রান্ত রোগের প্রকোপ কমানোর পাশাপাশি লাং এর ক্ষমতা বাড়ায়, যার ফলে মানুষের ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এবং বিভিন্ন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ফুসফুসের ধারে কাছে ঘেষতে পারে না।
  • মাথার যন্ত্রণা কমাতে
মাথার যন্ত্রণা কমানোর জন্য প্রথমে একটা পাত্রে পানি নিয়ে তাতে কয়েকটা তুলসী পাতা দিতে হবে। তারপর সে পানি ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর মাথা টাওয়ালে ঢেকে সেই জলের ভাব নিলে মাথা যন্ত্রণা অনেকটা কমে যাবে। তুলসী পাতায় অনেক ধরনের উপাদান রয়েছে যা নিমিষে মাথা যন্ত্রণা কমিয়ে ফেলতে অনেক ভূমিকা রাখে।

তুলসী পাতা সেবনের সতর্কতা

মানুষের শরীরে নানা সমস্যা সমাধানের জন্য মানুষ নিয়মিত তুলসীপাতা সেবন করে থাকে। আপনি চাইলে আপনার সমস্যা সমাধান পাওয়ার জন্য তুলসী পাতার ব্যবহার করতে পারেন। তবে ব্যবহার করার পূর্বে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে প্রত্যেকটা ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বিদ্যমান। তাই তুলসী পাতার ব্যবহার করার পূর্বে অবশ্যই অভিজ্ঞ এবং রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

যাতে করে তুলসী পাতার সঠিক ব্যবহার আপনি বুঝতে পারেন। বিশেষ করে মহিলারা তুলসী পাতা ব্যবহার করার জন্য বেশি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। কেননা গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যপান করানোর সময় এটি খেয়াল রাখতে হবে। কেননা সামান্য পরিমাণে তুলসী পাতা খেলে কোন প্রকার ক্ষতি হবে না তবে অতিরিক্ত খেলে নানা রকম জটিলতা দেখা দিতে পারে।

তবে মহিলাদের এই সময় তুলসী পাতা এড়িয়ে অনেক ভালো যদি ব্যবহার করার প্রয়োজন মনে হয় তার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এবং আপনি তুলসী পাতা যে উদ্দেশ্যে ব্যবহার করুন না কেন সেটা পরিমাণ মতো এবং নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে। যদি আপনি তুলসী নিয়মিত ব্যবহার না করেন তাহলে কোন প্রকার উপকৃত হবেন না।

পাশাপাশি তুলসী পাতা আপনাকে নিয়মিত সেবন করতে হবে। কেননা কোন সমস্যার সমাধান পাওয়ার জন্য দু একদিন সেবন করে কোন ফল পাবেন না। তাই সঠিক সমস্যার সমাধান পাওয়ার জন্য নিয়মিত তুলসির ব্যবহার করুন। তবে ব্যবহার করার পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

শেষ কথা

আজকের আর্টিকেলে আমরা আপনাকে জানানোর চেষ্টা করেছি কোন কোন সমস্যার সমাধানে তুলসী ব্যবহার করা হয় তার বিস্তারিত। আমাদের এই পোস্টটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে এটি অবশ্যই অন্যদের সাথে শেয়ার করুন। যেকোনো ধরনের শিক্ষনীয় বিষয় জানতে আমাদের ওয়েবসাইটের সাথেই থাকুন। আমাদের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url